Home / Tag Archives: pakhi

Tag Archives: pakhi

ছোট তুর্কী বাজ | Eurasian Sparrowhawk | Accipiter nisus

ছবি: ইন্টারনেট। বৈশ্বিক বিস্তৃতি উত্তর ইউরোপ, পূর্ব-দক্ষিণ আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল। শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে বাংলাদেশ ও ভারতে। প্রজনন মৌসুমে নিজ বাসভূমে চলে যায়। স্বভাবে হিংস ; দেখতেও। ছোট পাখিদের যম। ‘কেক কেক কেক’ সুরে ইনিয়ে-বিনিয়ে ডাকাডাকি করে। অনেক উঁচুতে উঠতে পারে। উড়ে উড়ে শিকার খোঁজে। একাকী কিংবা জোড়ায় …

Read More »

সরুঠোঁট বেনেবউ | Slender billed Oriole | Oriolus tenuirostris

ছবি: ইন্টারনেট। এ পাখির বাংলা নাম: ‘সরুঠোঁট বেনেবউ’। ইংরেজি নাম: ‘স্লেনডার-বিল্ড ওরিয়োল (Slender-billed Oriole)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Oriolus tenuirostris। এরা ‘বাঁকাঠোঁট বেনেবউ’ নামেও পরিচিত। আমাদের দেশে হরেক প্রজাতির বেনেবউ নজরে পড়ে। প্রতি প্রজাতির গড়ন এবং রঙ একই রকম মনে হলেও খানিকটা পার্থক্য রয়েছে, যা পাখি বিশারদ ব্যতীত নিরূপণ করা বড়ই কঠিন। …

Read More »

কালোমাথা কাবাসি | Black headed Cuckooshrike | Coracina melanoptera

ছবি: ইন্টারনেট। আবাসিক পাখি। চেহারা তত আকর্ষণীয় নয়। গড়ন ‘বেনেবউ’ প্রজাতির পাখিদের মতো। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত। প্রাকৃতিক আবাসস্থল আর্দ্র নিম্নভূমির বন, বাঁশ বন, ক্রান্তীয় আর্দ্র পার্বত্য বন, জলাশয়ের আশপাশের জঙ্গল। মূলত এরা বননির্ভর পাখি। গ্রামীণ বন থেকে শুরু করে নগর উদ্যানেও দেখা মেলে। …

Read More »

বেসরা বাজ | Besra Sparrow Hawak | Accipiter virgatus

ছবি: ইন্টারনেট। বাজ প্রজাতির পাখি। দেখতে চমৎকার। স্লিম গড়ন। স্বভাবে তত হিংস না হলেও শিকার ধরার প্রয়োজনে কিছুটা রুক্ষতা দেখায় বটে। ভালো পোষ মানে। পোষা বাজকে খাঁচায় বন্দির প্রয়োজন পড়ে না। পালনকর্তার নির্দেশে এদিক-সেদিক ওড়াউড়ি করে। দূর থেকে ইশরায় হাতছানি দিয়ে ডাকলে অথবা শব্দ করলে হাতে এসে বসে। বুনো বাজ …

Read More »

তারলেজা আবাবিল | Wire-tailed Swallow | Hirundo smithii

ছবি: ইন্টারনেট। বাংলা নাম: ‘তারলেজা আবাবিল’| ইংরেজি নাম: ‘ওয়্যার টেইল্ড সোয়ালো (Wire-tailed Swallow)’| বৈজ্ঞানিক নাম: Hirundo smithii| এ পাখি সুদর্শন স্লিম গড়নের। কণ্ঠস্বর সুমধুর। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন। তবে তুলনামূলকভাবে স্ত্রী পাখি খানিকটা খাটো। প্রকৃতিক আবাসস্থল নদ-নদী, জলাশয়, ধান খেত কিংবা অন্যান্য শস্য খেতের আশপাশ। জোড়ায় কিংবা ছোট দলে বিচরণ …

Read More »

ডোরা আবাবিল | Striated Swallow | Hirundo striolata

ছবি: ইন্টারনেট। চেহারা হিংস মনে হলেও আসলেই ওরা নিরীহ প্রকৃতির। কেবল আক্রান্ত হলে আক্রমণ করে। সেক্ষেত্রে খুব বেশি হলে ওদের পায়ের নখের খামচি বসিয়ে দেয়। দেখতে মন্দ নয়। স্লিম গড়নের। কণ্ঠস্বরও সুমধুর। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন। প্রাকৃতিক আবাসস্থল পাহাড়ি অঞ্চল, নদ-নদী, গর্ত, জলাশয়, ধানক্ষেত কিংবা চাষাবাদ হয় অমন ক্ষেতের আশপাশ। …

Read More »

লম্বাঠোঁটি শকুন | Cinereous Vulture | Aegypius monachus

ছবি: ইন্টারনেট। হিংস্র চেহারার মনে হলেও তত হিংস্র নয়। আকারে বড়সড়ো। অধিক ওজনের কারণে হাঁটাচলা করতে খানিকটা বেগ পেতে হয়। ভারিক্কিচালে হেলেদুলে কিংবা লাফিয়ে হাঁটাচলা করে। পাহাড়ি অঞ্চলে বেশি নজরে পড়ে। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, হিমালয় অঞ্চল, আফগানিস্তান, পর্তুগাল, দক্ষিণ ফ্রান্স, গ্রিস, স্পেন, তুরস্ক, মঙ্গোলিয়া, চীন …

Read More »

লম্বাঠোঁট তুলিকা | Long Billed Pipit | Anthus Similis

ছবি: ইন্টারনেট। পাথুরে পাহাড়ি অঞ্চলের বাসিন্দা। পাহাড়ের কার্নিশে কিংবা কাঁটা গাছে বিচরণ করে। তবে গাছ-গাছালির চেয়ে বেশির ভাগই পাথুরে এলাকায় বা পাহাড়ের কার্নিশ দেখা যায়। মায়াবি চেহারা। স্লিম গড়ন। প্রজাতির অন্যদের তুলনায় সুদর্শনই বটে। তুলনামূলক ঠোঁট ও লেজ খানিকটা লম্বা। গানের গলা চমৎকার। ধীরলয়ে গান গায়। চলাফেরাও ধীরগতির। বিচরণ করে …

Read More »

বড় বাজ | Northern Goshawk | Accipiter Gentilis

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘বড় বাজ’, ইংরেজি নাম: ‘নর্দান গোশক’(Northern Goshawk), বৈজ্ঞানিক নাম: Accipiter gentilis. এরা ‘উত্তরে গোদাশিকরে’ নামেও পরিচিত। এরা শিকারি পাখি। সাংঘাতিক হিংস্র। কর্কশ কণ্ঠে ডেকে প্রতিপক্ষকে ভয় পাইয়ে দেয়। বিচরণ করে জোড়ায় জোড়ায়। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন হলেও যুবাদের রঙ ভিন্ন। পুরুষের তুলনায় আকারে স্ত্রী পাখি …

Read More »

খয়রাডানা বনফুটকি | Brownish-flanked Bush Warbler | Cettia fortipes

ছবি: ইন্টারনেট। পরিযায়ী পাখি। উপমহাদেশীয় অঞ্চলে কমবেশি নজরে পড়লেও গ্রামীণ বনবাদাড়ে বেশি নজরে পড়ে। বিশেষ করে বাঁশঝাড়ের আশপাশে বেশি নজরে পড়ে। চটপটে চালচলন। উঁচু কণ্ঠে গান গায়। কণ্ঠস্বর সুমধুর। ফুর্তিবাজ পাখি। সারাদিন নাচানাচি, ওড়াউড়ি এসব করেই কাটায়। ছোট গাছ-গাছালি বিশেষ করে ঝোপঝাড়ের ভেতর বেশি বিচরণ। একাকী ঘুরে বেড়ায়। প্রজনন মৌসুমে …

Read More »

লালতলা প্রিনা

ছবি: ইন্টারনেট। ‘মেটেবুক প্রিনা’ নিয়ে গত সংখ্যায় লিখেছি। আজ ওদের জ্ঞাতি ভাই ‘লালতলা প্রিনা’ নিয়ে লিখছি। উভয়ই স্থানীয় প্রজাতির পাখি। সিøম গড়ন। মায়াবী চেহারার। তবে লালতলা প্রিনা আকারে খানিকটা বড়। স্বভাবে চঞ্চল। কণ্ঠস্বর তত সুমধুর নয়। বাদবাকি আচরণ মেটেবুক প্রিনার মতো। তবে এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি ভিন্ন। বাংলাদেশ ব্যতীত ভারত, নেপাল, …

Read More »

মেটেবুক প্রিনা

ছবি: ইন্টারনেট। স্থানীয় প্রজাতির পাখি। স্লিম গড়ন। মায়াবী চেহারা। স্বভাবে চঞ্চল। স্থিরতা নেই। সারাদিন কেবল উড়াউড়ি। সুমধুর সুরে গান গায়। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় বিচরণ করে। প্রজননের বাইরে ছোট দলে বিচরণ করে। প্রাকৃতিক আবাস্থল উন্মুক্ত বন, বাঁশঝাড় ও ঝোপজঙ্গল। দেশে সর্বত্র কমবেশি নজরে পড়ে। বেশি নজরে পড়ে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও …

Read More »

বুট পা ঈগল

ছবি: ইন্টারনেট। বিরল দর্শন পরিযায়ী পাখি। কেবল ভরা শীতে দেশে দেখা যায়। তবে যত্রতত্র দেখা মেলে না। প্রাকৃতিক আবাসস্থল খোলা বনপ্রান্তর, পাবর্ত্য অঞ্চল। এ ছাড়া মরুভূমি কিংবা চারণভূমিতেও দেখা যায়। সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ৩০০০ মিটার উঁচুতেও দেখা যায়। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল, উত্তর ও দক্ষিণ আফ্রিকা, …

Read More »

ছোট বুনো ছাতারে

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘কালো থুঁতনি ছোট বুনো ছাতারে’। ইংরেজি নাম: ‘ব্লাক চিন্ড উহিনা (Black-chinned Yuhina)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Yuhina nigrimenta। এ পাখি আবাসিক। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, তিব্বত, থাইল্যান্ড ও লাওস পর্যন্ত। প্রাকৃতিক আবাসস্থল চিরহরিৎ বন। বিচরণ করে জোড়ায় জোড়ায়। অনেক সময় ছোট দলেও দেখা …

Read More »

ছোট লেজি খাটোডানা

ছবি: ইন্টারনেট। মূলত পরিযায়ী পাখি। প্রাকৃতিক আবাসস্থল স্যাঁতসেঁতে লতাগুল্মের জঙ্গল এবং আর্দ্র চওড়া পাতার বনাঞ্চল। বেশিরভাগই একাকী বিচরণ করে। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। আমুদে স্বভাবের। অস্থিরভাবে বিচরণ করে। লেজ ঘুরিয়ে গান গায়। কণ্ঠস্বর সুমধুর। কণ্ঠ বাঁশির সুরের মতো তীক্ষ্ণ শুনতে বেশ লাগে। থেমে থেমে শিস কেটে জোড়ের পাখিটাকে …

Read More »

হলদেমাথা খঞ্জন

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘হলদেমাথা খঞ্জন’। ইংরেজি নাম: ‘সিট্রিন ওয়াগটেইল’ (Citrine Wagtail)। বৈজ্ঞানিক নাম: Motacilla citreola। এরা ‘সিট্রিনি খঞ্জন’ নামেও পরিচিত। দেশে প্রায় আট প্রজাতির খঞ্জন দেখা যায়। এরা দেখতে ভীষণ সুন্দর। স্লিম গড়ন। শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। প্রাকৃতিক আবাসস্থল জলাশয়ের কাছাকাছি স্যাঁতসেঁতে ভূমি। শিকারের উপযুক্ত স্থান জলাশয় এলাকা …

Read More »

বালি নাকুটি

ছবি: ইন্টারনেট। ভারতীয় উপমহাদেশে শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। দেখতে হুবহু ‘সাদামাটা নাকুটি’র মতো। তবে এদের চেহারায় সাদার উপস্থিতি কিছুটা কম। উভয় প্রজাতিরই চেহারা তত আকর্ষণীয় নয়। বিচরণ করে ঝাঁকে ঝাঁকে। বাসাও বাঁধে দলবদ্ধ হয়ে। টানেল আকৃতির বাসা বানায়। পাহাড়, নদ-নদীর পাড়ে মাটির খাড়া দেওয়ালে নিজেরা গর্ত খুঁড়ে ৩০ থেকে ৬০ …

Read More »

হলদেপেট প্রিনা

ছবি: ইন্টারনেট। সুদর্শন, স্লিম গড়নের আবাসিক পাখি। মায়াবী চেহারা। দেখতে ভারি সুন্দর। আকর্ষণীয় দীর্ঘ লেজ। প্রাকৃতিক আবাসস্থল লম্বা ঘাসবন। বিশেষ করে জলাশয়ের কাছাকাছি ঘাসবনে বিচরণ করতে পছন্দ করে এরা। দেশে যত্রতত্র নজরে পড়ে না। সুমধুর কণ্ঠস্বর। লম্বা ঘাসের ডগায় চড়ে মিহি কণ্ঠে গান গায়। চারদিকে হতচকিত হয়ে ঘন ঘন ঠোঁট …

Read More »

সাদা ডানা লালগির্দি

ছবি: ইন্টারনেট। শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মঙ্গোলিয়া, কোরিয়া, জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব রাশিয়া পর্যন্ত। প্রাকৃতিক আবাসস্থল নদ-নদীর কাছাকাছি ঘন ঝোপ-জঙ্গল। এরা দোয়েল আকৃতির পাখি। পুরুষ পাখি দেখতে ভীষণ সুন্দর। স্ত্রী পাখির চেহারা তত আকর্ষণীয় নয়। সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতির মনে হয়। প্রজাতির কণ্ঠস্বর সুমধুর। এদের খাদ্য গ্রহণে …

Read More »

কমলা-নীল ফুলঝুরি

ছবি: ইন্টারনেট। সুদর্শন আবাসিক পাখি। পুরুষ পাখির নজরকাড়া রূপ। স্ত্রী পাখি দেখতে নিষ্প্রভ। ভিন্ন প্রজাতির মনে হয়। প্রাকৃতিক আবাসস্থল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের আর্দ্র নিম্নভূমির বন। এ ছাড়াও ক্রান্তীয় অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বনে দেখা মেলে। দেশে যত্রতত্র নজরে পড়ে না। স্বভাবে ভারি চঞ্চল। কোথাও এক দণ্ড বসে থাকার সময় নেই। ছোট গাছ-গাছালি কিংবা …

Read More »

খয়রাগলা নাকুটি

ছবি: ইন্টারনেট। আবাসিক পাখি হলেও যত্রতত্র দেখা মেলে না। চেহারা তত আকর্ষণীয় নয়। প্রাকৃতিক আবাস্থল খোলা মাঠ-প্রান্তর, তৃণভূমি, কৃষি জমি এবং জলাশয়ের আশপাশ। পোকামাকড়ের আধিক্যের কারণে জলাশয়ের আশপাশে ঝাঁকে ঝাঁকে ওড়াউড়ি করে। আবার পত্র-পল্লবহীন গাছেও ঝাঁকে ঝাঁকে বসে বিশ্রাম নেয়। প্রজনন মুহূর্তে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। এরা বাসাও বাঁধে দলবদ্ধ …

Read More »

তুরমুতি বাজ

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘তুরমুতি বাজ’। ইংরেজি নাম: ‘রেড-নেকেড ফ্যালকন’(Red-necked falcon)। বৈজ্ঞানিক নাম: Falco chicquera। এরা ‘লালমাথা শিকারি বাজ’ নামেও পরিচিত। ঊষা এবং গোধূলীলগ্ন এদের শিকারের উপযুক্ত সময়। এ সময় এদের বেশির ভাগকেই জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। তবে একাকী, জোড়ায় কিংবা ছোটদলেও বিচরণ করে। মূলত ছোট পাখি এদের প্রধান …

Read More »

সাদা-কালো ফিদ্দা

ছবি: ইন্টারনেট। প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিম্নভূমি এবং সমভূমির বৃক্ষরাজি কিংবা পাহাড়ের কিনারের পাথর খণ্ড। বিচরণ করে একাকী। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। পুরুষ পাখি হুবহু দোয়েল বর্ণের হলেও দোয়েলের মতো অত নাদুস-নদুস নয় এরা। স্লিম। পুরুষের তুলনায় স্ত্রী পাখি অনেকটাই নিষ্প্রভ। রঙ বাদামি। স্বভাবে চঞ্চল। কণ্ঠস্বর সুমধুর। দেশে পরিযায়ী হয়ে …

Read More »

লাল কপাল ছাতারে

ছবি: ইন্টারনেট। আবাসিক পাখি। প্রাকৃতিক আবাসস্থল আর্দ্র নিম্নভূমির বন, ঘাসবন ও বাঁশবন। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২১০০ মিটার উঁচুতেও দেখা মেলে। খোলা বনবাদাড়ে অল্পবিস্তর নজরে পড়ে। সুশ্রী গোবেচারা টাইপ চেহারা। বিশেষ করে কপালের লাল চওড়া টান চেহারায় বৈচিত্র্যতা এনেছে। অনেকটাই সিঁদুর রাঙা মনে হয়। স্বভাবে হিংস নয়। এরা চঞ্চল ও অস্থিরমতির হলেও …

Read More »

সাদাটুপি লালগির্দি

ছবি: ইন্টারনেট। দোয়েল আকৃতির পাখি। দেখতে ভারি সুন্দর। প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিমায়িত বনাঞ্চল। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, লাওস, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও তিব্বত পর্যন্ত। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। নিজস্ব বাসভূমে প্রজনন ঘটায়। গানের গলা ভালো। ফুর্তিবাজ পাখি। লেজ উঁচিয়ে ফুর্তি করে। জলস্রোতের কাছাকাছি এবং পাথুরে এলাকায় …

Read More »

সাদামাটা নাকুটি

ছবি: ইন্টারনেট। আবাসিক পাখি হলেও দেশে যত্রতত্র দেখা মেলে না। প্রাকৃতিক আবাস্থল খোলা মাঠ-প্রান্তর, কৃষি জমি এবং জলাশয়ের আশপাশ। ছোট-বড় দলে বিচরণ করে। বাসাও বাঁধে দলবদ্ধ হয়ে। টানেল আকৃতির বাসা। অন্তত ৩০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার সেই টানেলের দৈর্ঘ্য। চেহারা তত আকর্ষণীয় নয়। চেহারায় কিছুটা হিংস তার ছাপ ফুটে উঠলেও আসলে …

Read More »

কাকঠুঁটো ফিঙে

ছবি: ইন্টারনেট। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় চিরহরিৎ ও নিম্ন ভূমির বনাঞ্চলের বাসিন্দা। দেখতে যেমনি হিংস তেমনি স্বভাবেও। খুব সাহসী পাখি। চিল, বাজদেরকে তেড়ে যায়, মাথায় ছোঁ মারে। ছোট পাখিদের ক্ষতি করে না। ছোট পাখিরা এদের বাসার কাছাকাছি বাসা বাঁধার চেষ্টা করে নিরাপদ থাকতে। কণ্ঠস্বর কর্কশ। ঠোঁট মোটা, দেখতে কাকের ঠোঁটের মতো। বৈশ্বিক বিস্তৃতি …

Read More »

কালাপাশ চুটকি

ছবি: ইন্টারনেট। বেশিরভাগই একাকী বিচরণ করে। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। বৃক্ষচারী পাখি। প্রাকৃতিক আবাস্থল চিরহরিৎ বন এবং মিশ্রবন। এ ছাড়া সাজানো বাগানেও দেখা মেলে। দেখা মেলে পর্বতশৃঙ্গেও। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪০০০ মিটার উঁচুতে দেখা যাওয়ার রেকর্ড রয়েছে। পত্র-পল্লবহীন বৃক্ষের উঁচুশাখে একাকী শিকারের প্রতিক্ষায় বসে থাকে। মাঝেমধ্যে উল্লসিত হয়ে ওড়াউড়ি …

Read More »

খয়েরি ঈগল

ছবি: ইন্টারনেট। প্রজাতির বাংলা নাম:‘খয়েরি ঈগল’। ইংরেজি নাম: ‘টাওনি ঈগল’ (Tawny Eagle)। বৈজ্ঞানিক নাম: Aquila rapax। এরা ‘তামাটে ঈগল’ নামেও পরিচিত। এ ঈগল দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। ব্যাপক অঞ্চল জুড়ে এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি এবং তিন উপ-প্রজাতি নজরে পড়ে। সে ক্ষেত্রে উপ-প্রজাতিরা ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলেও বিচরণ করে। যেমন প্রজাতির কিছুসংখ্যক দেখা …

Read More »

আমুর শাহিন

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির নাম ‘আমুর শাহিন’। আমুরল্যান্ডে বিচরণ আধিক্য বিধায় হয়তো এই নাম ওদের। এরা উপমহাদেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। সুদর্শন, স্লিম গড়নের পাখি। দেখতে কিছুটা ককাটিল পাখিদের মতো। পুরুষদের চেহারা চকচকে হলেও স্ত্রী পাখি খানিকটা নিষ্প্রভ; ভিন্ন বর্ণের। প্রাকৃতিক আবাসস্থল খোলা মাঠপ্রান্তর, খোলা বনাঞ্চল। শিকারি পাখি হলেও স্বভাবে হিংস নয়। …

Read More »