Home / দৈনিক ইত্তেফাক

দৈনিক ইত্তেফাক

হলদেপেট প্রিনা

ছবি: ইন্টারনেট। সুদর্শন, স্লিম গড়নের আবাসিক পাখি। মায়াবী চেহারা। দেখতে ভারি সুন্দর। আকর্ষণীয় দীর্ঘ লেজ। প্রাকৃতিক আবাসস্থল লম্বা ঘাসবন। বিশেষ করে জলাশয়ের কাছাকাছি ঘাসবনে বিচরণ করতে পছন্দ করে এরা। দেশে যত্রতত্র নজরে পড়ে না। সুমধুর কণ্ঠস্বর। লম্বা ঘাসের ডগায় চড়ে মিহি কণ্ঠে গান গায়। চারদিকে হতচকিত হয়ে ঘন ঘন ঠোঁট …

Read More »

লালঠোঁট কাস্তেছাতারে

ছবি: ইন্টারনেট। আবাসিক পাখি। যত্রতত্র দেখা যাওয়ার নজির নেই। আকর্ষণীয় চেহারা। বিশেষকরে ঠোঁটজোড়া খুব সুন্দর, দেখার মতোই বটে। মনে হতে পারে প্রবালনির্মিত কাস্তে। প্রাকৃতিক আবাসস্থল চিরহরিত্ বন-বনানী। বিশেষকরে বাঁশবন এবং চওয়া আকৃতির পাতার বনে বেশি দেখা যায়। জোড়ায় এবং ছোটদলে বিচরণ করে। হিংস্র নয়। দলের সবাই মিলেমিশে থাকে। চলাফেরায় খুব …

Read More »

কাঁকড়াভোজী বাটান

ছবি: ইন্টারনেট। বিচরণক্ষেত্র উপকূলীয় এলাকার জলাশয়, দ্বীপ এবং সাগর মোহনা। বাংলাদেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। প্রাকৃতিক আবাসস্থল ভারত মহাসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর, ওমান উপসাগর, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ, তাঞ্জানিয়া, মাদাগাস্কার এবং পূর্ব শ্রীলঙ্কা। দেখতে চমত্কার। সাদা-কালো চেহারা। অন্যসব বাটান প্রজাতির মতো গাট্টাগোট্টা চেহারা হলেও আকারে খানিকটা উঁচু। বিচরণ করে ছোট-বড় দলে। একাকী …

Read More »

কালচে বুক লেজকাটা টুনি

ছবি: ইন্টারনেট পরিযায়ী পাখি, ব্যতিক্রমী চেহারা। দূর থেকে দেখে মনে হতে পারে লেজের অগ্রভাগ বুঝি খসে পড়েছে। আসলে ওদের লেজের গড়নই অমন! বলা যায়, পুচ্ছবিহীন পাখি। তার ওপরে শরীরের তুলনায় মাথাটা বড় বিধায় চেহারাটা যুঁত্সই মনে হয় না। প্রাকৃতিক আবাসস্থল আদ্র চিরসবুজ ক্রান্তীয় বনের লতাগুল্ম। এছাড়াও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ক্রান্তীয় আদ্র নিম্নভূমির …

Read More »

লাল চোখের কালো শালিক

ছবি: ইন্টারনেট দেখতে কোকিলের মতোই। তবে অত বড়সড়ো নয়, আকারে কিছুটা খাটো। চোখ দু’টি কোকিলের মতোই টকটকে লাল। চেহারায় খানিকটা মিল থাকলেও এরা কোকিল প্রজাতির কেউ নয়। শালিক প্রজাতির পাখি। পোশাকি নাম কালো শালিক। পাখিটি সাধারণত ঝাঁক বেঁধে বিচরণ করে। জোড়ায় কিংবা একাকীও দেখা মেলে। হাঁটে লাফিয়ে লাফিয়ে। স্বভাবে কিছুটা …

Read More »

পাকড়া মেঠো চিল

ছবি: ইন্টারনেট। পাখিটি পরিযায়ী। বিচরণ করে খোলা মাঠ, প্রান্তরে কিংবা তৃণভূমি অথবা নলখাগড়ার ঝোপের আশপাশে। এছাড়া ধানখেত, গমখেত, উম্মুক্ত বনভূমি, ছোট নদ-নদী ও জলাশয়ের আশপাশে বিচরণ করে। এরা খেত-খামারের উপর চক্কর দিয়ে শিকার খুঁজে বেড়ায়। দেখতে খানিকটা ভয়ঙ্কর হলেও চেহারাটা কিন্তু সুদর্শন। দেশে শীত মৌসুমে দেখা মেলে। উপমহাদেশীয় অঞ্চলে এরা …

Read More »

কালো-ধূসর বুলবুলি

আবাসিক পাখি। সিলেট অঞ্চলে কমবেশি নজরে পড়ে। এরা ‘বাংলা বুলবুলি’র জ্ঞাতিভাই। শারীরিক গঠনেও বেশ মিল রয়েছে, তবে রঙ ভিন্ন। স্থানীয় প্রজাতির হলেও এদের বিচরণ বাংলা বুলবুলির মতো অত ব্যাপক নয়। মূলত এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রান্তীয় আর্দ্র নিম্নভূমির বন বা ক্রান্তীয় আর্দ্র পার্বত্য অরণ্য। এছাড়া সূঁচালো চিরহরিত্ বন, পাইন বন এবং …

Read More »

কালোবুক বাটান

পরিযায়ী প্রজাতির পাখি। বৈশ্বিক বিস্তৃতি রাশিয়া, পশ্চিম ইউরোপের উপকূল, আইসল্যান্ড, গ্রীনল্যান্ড, উত্তর-পূর্ব কানাডা ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্রান্তীয় দক্ষিণ অঞ্চল পর্যন্ত। উপমহাদেশে আগমন ঘটে শীতে। চেহারা ও স্বভাবে গো-বেচারা। মাথা খানিকটা বেঢপ সাইজের। বিচরণ করে নদ-নদী এলাকার সৈকতে। এ ছাড়াও জলাশয়ের কিনারেও দেখা যায়। বালিয়াড়ি, কাদাময় অথবা পাথুরে এলাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে-ফিরে খাবার …

Read More »

সাদা মুকুট পেঙ্গা

ঝগড়া-ফ্যাসাদ বাধাতে ওস্তাদ হলেও আসলে ওরা ভিতুর ডিম। দেখতে বেশ সুন্দর। গলা মোটেও সুরেলা নয়, তবে তাই দিয়েই চলে গানের রেওয়াজ। কেউ তা শুনুক বা না শুনুক তাতে তাদের কিছু আসে যায় না। সমতল থেকে খানিকটা উঁচুতে চিরসবুজ পাহাড়ি অরণ্যে এর বিচরণ। ঝোপঝাড়, বিশেষ করে বাঁশবাগান এদের খুব পছন্দের জায়গা। …

Read More »

কালোঘাড় নীলাকটকটিয়া

ভারি চঞ্চল স্বভাবের, তবে ঝামেলায় জড়ায় না। ক্ষতিও করে না অন্য পাখির। অধিকাংশ সময় জোড়ায় কিংবা ছোট দলে বিচরণ করে। মাঝে-মধ্যে একাকীও দেখা যায়। শীত মৌসুমে সমতলের ঝোপ-ঝাড়ে বেশি ঘোরাফেরা করে। ‘চুইচ চুইচ চুউ’ সুরে ডেকে ছুটে বেড়ায় তখন। এত চঞ্চল যে, ভালো করে ওদের চেহারাটাও দেখার উপায় থাকে না …

Read More »

সবুজাভ সুমচা

সুন্দরবনের আশপাশের এলাকাগুলোতে অল্পবিস্তর দেখা মেলে এ পাখির। অন্যত্র খুব একটা নজরে পড়ে না। তবে পাখি বিশারদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, লাউয়াছড়ার জঙ্গলে এদের নাকি দেখা মিলে। এদের মূল আবাস হিমালয় অঞ্চলে। এরা আমাদের দেশে শীতে নয়, গ্রীষ্মে পরিযায়ী হয়ে আসে। থাকে চার-পাঁচ মাস। সুখবরটি হচ্ছে এ পাখি আমাদের দেশে …

Read More »

ছোট সহেলি

ভারি সুন্দর নাম। সহেলী। কথাটার অর্থ সখী, বা বান্ধবী। যেমন সুন্দর নাম, তেমনি দেখতে। মিষ্টি ও শান্ত স্বভাবের বলেই এমন নাম কিনা কে জানে! আমাদের দেশেরই পাখি। আমাদের দেশ ছাড়া ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, চীন, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় দেখা যায়। বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়ায়। পারতপক্ষে লোকালয়ে ঘেঁষে …

Read More »

সবুজ বক

আমাদের দেশেরই পাখি। এক এলাকা থেকে পরিযায়ী হয়ে অন্য এলাকায় যাওয়া এদের স্বভাব নয়। তবে এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া তো বটেই, দক্ষিণ আমেরিকার কিছু কিছু এলাকাতেও বাস করে এরা। আমাদের দেশে সুন্দরবন থেকে শুরু করে রাঙামাটির সাজেক পর্যন্ত ওদের দেখা মেলে। নলখাগড়ার ঝোপ অথবা জলার ধারে কোন ছোটখাটো গাছে বাসা বাঁধে। …

Read More »

বন কোকিল

কোকিলের জ্ঞাতি ভাই, কিন্তু গলায় সুর নেই! বসন্ত এলে এরা চুপচাপ বসে বসে জ্ঞাতি ভাইদের গান শোনে। গান গাইতে না পারলেও ওরা আমাদের পরিচিত কোকিলে মত অলস বা ফন্দিবাজ নয়। নিজেরাই খেটেখুটে বাসা বানায়। ডিম পেড়ে নিজেরাই তা দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে লালন-পালন করে। এক কথায় সংসারি। এরা দেশের স্থানীয় প্রজাতির …

Read More »

খোয়াজ

এরা দক্ষিণ-পূর্ব সাইবেরিয়া, উত্তর-পূর্ব চীন, পূর্ব-দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দা। আমাদের দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে কনকনে শীতে। তবে আমাদের দেশে এসে এরা সবখানে বিচরণ করে না। বিচরণ করে উপকূলীয় অঞ্চলের মোহনাতে। আমাদের দেশে এই পাখি প্রথম নজরে আসে ১৯৮২ সালে। হাতিয়ার পশ্চিমে ঢালচর এলাকায়। নিরীহ প্রকৃতির এ পাখি …

Read More »

রাজ হরিয়াল

ছবি: ইন্টারনেট। ভারি শান্ত স্বভাবের পাখি। অন্য প্রজাতির পাখি তো দূরের কথা, নিজ প্রজাতির কারো সঙ্গেও কখনো ঝগড়া-ফ্যাসাদ বাধাতে দেখা যায় না। এরা দলবদ্ধভাবে খুব কমই বিচরণ করে। জোড়ায় জোড়ায় কিংবা একা একাও ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় এদের। বট বা পাকুড় গাছে এদের আনাগোনা বেশি। কারণ বট-পাকুড়ের ফল এদের খুব …

Read More »

চিত্রা শালিক

মূলত ইউরোপের পাখি। আমাদের দেশে খুব কমই দেখা যায়। শীতে মাঝে-মধ্যে দেখা যায় দেশের পাহাড়ি এলাকার বনজঙ্গলে কিংবা উপকূলীয় এলাকায়। দেখা যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপেও। এ ছাড়াও সুন্দরবনের দুবলারচরে সাক্ষাত্ মেলে দুই-চারটার। এরা এ দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে ১৯৮০ সালে প্রথম পাখি অনুসন্ধানী দলের নজরে পড়ে এ পাখি। তারপর …

Read More »

রঙিলা চ্যাগা

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, জাপান, দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এদের বিচরণ। আমাদের দেশে ঝোঁপ-জঙ্গল ঘেরা জলাশয় কিংবা নদীর তীরে এদের বেশি দেখা যায়। এরা নিশাচর। তবে খুব ভোরে কিংবা শেষ বিকালেও শিকারে বেরোয়। স্বভাবে নিরীহ। যতদূর সম্ভব নিজেদের আড়াল করে রাখতে পছন্দ করে। …

Read More »

ভীমরাজ

এরা এই অঞ্চলেরই পাখি। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ প্রিয়। বাঁশবন বেশি পছন্দের। আজকাল দেশের গাছ-গাছালির সংকটের কারণে এ পাখি এখন তেমন একটা নজরে পড়ে না। এদের লেজটা ভারি চমত্কার। দাঁড়িয়ে দেখার মতো। লেজের বর্ধিত অংশটুকু কেটে ফেললে যে কেউ ফিঙ্গে বলে ভুল করবেন। এরা ফিঙ্গে গোত্রের হলেও ওদের মতো অত হিংস্র নয়। …

Read More »

বেগুনি বক

আমাদের দেশে যেসব পাখির দিন খুব দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বেগুনি বক তার অন্যতম। দুই যুগ আগেও নল খাগড়ার বনে এদের বেশ দেখা যেত। ঝোপঝাড় কমছে। নষ্ট হচ্ছে এদের আবাস। চোরা শিকারি তো আছেই। আমাদের দেশের পক্ষীবিশারদগণের ধারণা এরা অচিরেই এদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। জোয়ার-ভাটা, কাদা-বালির নির্জন চরে এবং পার্বত্য …

Read More »

রাতচরা

নাম শুনেই বোঝা যায় রাতের বেলাতে এদের আনাগোনা বেশি। সূর্যাস্তের খানিকটা পরে ঝোপ-জঙ্গলের ভেতর থেকে এদের ‘চউঙ্ক-চউঙ্ক-চউঙ্ক’ সুরে ডাকাডাকি শোনা যায়। এরা আমাদের দেশের স্থায়ী বাসিন্দা। গাঁও গ্রামের ছোটখাট ঝোপঝাড় কিংবা বাঁশবনে এদের বিচরণ বেশি। প্রজনন মৌসুম ছাড়া বেশিরভাগ সময় এরা একা একা বিচরণ করে। এদের শারীরিক গড়ন একটু ভিন্ন …

Read More »

নীলটুনি

মনে পড়ে সেই টুনটুনির কথা! ‘টুনটুনি টুনটুনালো-সাত রানির নাক কাটা গেল’ বা নীলটুনি ‘মশা ভাইদের’ ডেকে এনে কিভাবে হাতি, কুকুর, বেড়াল, ইুঁদুর এবং শেষে রাজাকে জব্দ করল- সেই গল্প! দেখতে যত ছোট হোক, বাংলার লোককাহিনীতে এদের দাপট এক সময় রাজা-রানিদের চেয়ে কম ছিল না। টুনটুনির কথা বলতেই মনে পড়ে যায় …

Read More »

মেঘহও মাছরাঙা

গ্রাম-গাঁয়ে চলতে চলতে হঠাত্ আপনার কানে যদি ‘মেঘ-হও, মেঘ-হও’ কথাটা ভেসে আসে নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে, কার আবার মেঘের এত দরকার পড়ল? যার কণ্ঠ থেকে এমন আওয়াজ ভেসে আসছে—তার অবশ্য মেঘের খুব দরকার! তবে সে বুঝেশুনে ‘কথাটা’ বলছে, তা বিশ্বাস করা কঠিন। কারণ শব্দটা ভেসে আসে একটা পাখির কণ্ঠ …

Read More »

ধূসর খঞ্জন

শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে আমাদের দেশে। ছোটখাট ঝোপঝাড় অথবা জলাশয়ের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এদের শিকারের উপযুক্ত স্থানই হচ্ছে জলাশয় ও তার আশপাশের এলাকা। তবে ওরা পানিতে নেমে শিকার ধরে না কখনো। পানির কাছাকাছি থেকে পোকামাকড় খুঁজে বেড়ায়। দেখতে ভীষণ সুন্দর। সরু, আটোসাটো গড়ন। প্রজাতির অন্যদের তুলনায় এরা বেশি …

Read More »

ছোট বসন্তবাউরি

আকারে চড়ুই পাখির চেয়ে বড় নয়, তবে তার ডাক শুনে তা বোঝার উপায় নেই। এত উচ্চৈঃস্বরে এরা ডাকে যা শুনলে মনে হবে না জানি কোন বিরাট পাখি! এর ডাক খানিকটা একঘেয়ে লাগে। ‘টুক্-টুক্-টুক’ এই আওয়াজ অনেক দূর থেকে শোনা যায়। পাখিটা দেখতে ভারি সুন্দর। আমাদের দেশে সারা বছরই এর দেখা …

Read More »

ছোট মাছরাঙা

ছবি: ইন্টারনেট ভাবভঙ্গি দেখে খানিকটা হিংস্র মনে হলেও এরা শান্ত-স্বভাবের পাখি। অন্য জাতের পাখির সঙ্গে এরা সাধারণত ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয় না। নিজেরাও ঝগড়া-বিবাদ করে না। দেশের সর্বত্র দেখা যায়। জলাশয়ের আশপাশে ঘোরা ফেরা করে। শিকারের আশায় এরা সূর্যটাকে পেছনে রেখে জলার ধারে চুপচাপ বসে থাকে। মাছের দেখা পেলে শূন্যে ডানা …

Read More »

বামন চাপাখি

ছবি: ইন্টারনেট সাইবেরিয়া থেকে পরিযায়ী হয়ে আসে এ দেশে। শীত কেটে গেলে দ্রুত ফিরে যায়। বসন্ত এলে নিজ বাসভূমিতে গিয়ে ডিম পাড়ে । আকারে চড়ুই পাখির চেয়ে সামান্য বড়। ‘বাটান’ পরিবারের সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির পাখি এরা। সমুদ্র-নদী-জলাশয়ের পাড়ে কাদামাটিতে বা বালুকারাশিতে বিচরণ করে। জোয়ার-ভাটা হয় এমন এলাকা এদের বিচরণের উপযুক্ত স্থান। …

Read More »

নীলপুচ্ছ বাঁশপাতি

দেশি প্রজাতির পাখি হলেও বিরল দর্শন। তবে গোত্রের অন্য প্রজাতির বিচরণ যথেষ্ট। এ প্রজাতির অন্যসব পাখি দেশের সর্বত্র বিচরণ করলেও এরা সাধারণত শালবন এলাকায় কিংবা বৃহত্ আকারের জলাশয়ের আশপাশে উড়ে বেড়ায়। সুন্দরবন এলাকায় কদাচিত্ দেখা মেলে। গাছের মগডালে বসে থেকে উড়ন্ত কীটপতঙ্গের দিকে নজর রাখে। শিকার ধরেই পুনরায় গাছের ডালে …

Read More »

সিঁদুর সিঁথি তিতপাখি

হঠাৎ দেখলে লাজুক, খানিকটা শান্ত স্বভাবের বলেই মনে হবে। কিন্তু ছোট আকৃতির এ পাখিটা লাজুক তো নয়-ই শান্তও নয় একেবারে। বেজায় চঞ্চল। এডালে ওডালে কেবলই ওড়াউড়ি। মনে হবে ভারি কাজের পাখি। সারাক্ষণ ব্যস্ত। এক দণ্ড চুপ করে বসার মত সময় তার হাতে নেই। পরিযায়ী পাখি। শীতে আমাদের দেশে চট্টগ্রামের চুনতি …

Read More »

মেটেবুক ঝিল্লি

স্থানীয় প্রজাতির হলেও এদের দেখা পাওয়া ভার। ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকা এদের স্বভাব। দিনের বেশিরভাগ সময় কোন জলার ধারে লম্বা ঘাস, ধান ক্ষেত, লতা-গুল্মের ঝোপের আড়ালে নিজেদের লুকিয়ে রাখে। বাস মূলত হাওরাঞ্চলে, তবে সুন্দরবনের আশপাশেও এদের নজরে পড়ে। দেশের অন্যান্য বনজঙ্গলে অল্পস্বল্প দেখা যায়। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, এরা উত্তেজিত …

Read More »