Home / বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশ প্রতিদিন

সরুঠোঁট বেনেবউ | Slender billed Oriole | Oriolus tenuirostris

ছবি: ইন্টারনেট। এ পাখির বাংলা নাম: ‘সরুঠোঁট বেনেবউ’। ইংরেজি নাম: ‘স্লেনডার-বিল্ড ওরিয়োল (Slender-billed Oriole)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Oriolus tenuirostris। এরা ‘বাঁকাঠোঁট বেনেবউ’ নামেও পরিচিত। আমাদের দেশে হরেক প্রজাতির বেনেবউ নজরে পড়ে। প্রতি প্রজাতির গড়ন এবং রঙ একই রকম মনে হলেও খানিকটা পার্থক্য রয়েছে, যা পাখি বিশারদ ব্যতীত নিরূপণ করা বড়ই কঠিন। …

Read More »

তারলেজা আবাবিল | Wire-tailed Swallow | Hirundo smithii

ছবি: ইন্টারনেট। বাংলা নাম: ‘তারলেজা আবাবিল’| ইংরেজি নাম: ‘ওয়্যার টেইল্ড সোয়ালো (Wire-tailed Swallow)’| বৈজ্ঞানিক নাম: Hirundo smithii| এ পাখি সুদর্শন স্লিম গড়নের। কণ্ঠস্বর সুমধুর। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন। তবে তুলনামূলকভাবে স্ত্রী পাখি খানিকটা খাটো। প্রকৃতিক আবাসস্থল নদ-নদী, জলাশয়, ধান খেত কিংবা অন্যান্য শস্য খেতের আশপাশ। জোড়ায় কিংবা ছোট দলে বিচরণ …

Read More »

বড় বাজ | Northern Goshawk | Accipiter Gentilis

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘বড় বাজ’, ইংরেজি নাম: ‘নর্দান গোশক’(Northern Goshawk), বৈজ্ঞানিক নাম: Accipiter gentilis. এরা ‘উত্তরে গোদাশিকরে’ নামেও পরিচিত। এরা শিকারি পাখি। সাংঘাতিক হিংস্র। কর্কশ কণ্ঠে ডেকে প্রতিপক্ষকে ভয় পাইয়ে দেয়। বিচরণ করে জোড়ায় জোড়ায়। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন হলেও যুবাদের রঙ ভিন্ন। পুরুষের তুলনায় আকারে স্ত্রী পাখি …

Read More »

ছোট বুনো ছাতারে

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘কালো থুঁতনি ছোট বুনো ছাতারে’। ইংরেজি নাম: ‘ব্লাক চিন্ড উহিনা (Black-chinned Yuhina)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Yuhina nigrimenta। এ পাখি আবাসিক। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, তিব্বত, থাইল্যান্ড ও লাওস পর্যন্ত। প্রাকৃতিক আবাসস্থল চিরহরিৎ বন। বিচরণ করে জোড়ায় জোড়ায়। অনেক সময় ছোট দলেও দেখা …

Read More »

হলদেমাথা খঞ্জন

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘হলদেমাথা খঞ্জন’। ইংরেজি নাম: ‘সিট্রিন ওয়াগটেইল’ (Citrine Wagtail)। বৈজ্ঞানিক নাম: Motacilla citreola। এরা ‘সিট্রিনি খঞ্জন’ নামেও পরিচিত। দেশে প্রায় আট প্রজাতির খঞ্জন দেখা যায়। এরা দেখতে ভীষণ সুন্দর। স্লিম গড়ন। শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। প্রাকৃতিক আবাসস্থল জলাশয়ের কাছাকাছি স্যাঁতসেঁতে ভূমি। শিকারের উপযুক্ত স্থান জলাশয় এলাকা …

Read More »

কমলা-নীল ফুলঝুরি

ছবি: ইন্টারনেট। সুদর্শন আবাসিক পাখি। পুরুষ পাখির নজরকাড়া রূপ। স্ত্রী পাখি দেখতে নিষ্প্রভ। ভিন্ন প্রজাতির মনে হয়। প্রাকৃতিক আবাসস্থল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের আর্দ্র নিম্নভূমির বন। এ ছাড়াও ক্রান্তীয় অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বনে দেখা মেলে। দেশে যত্রতত্র নজরে পড়ে না। স্বভাবে ভারি চঞ্চল। কোথাও এক দণ্ড বসে থাকার সময় নেই। ছোট গাছ-গাছালি কিংবা …

Read More »

তুরমুতি বাজ

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘তুরমুতি বাজ’। ইংরেজি নাম: ‘রেড-নেকেড ফ্যালকন’(Red-necked falcon)। বৈজ্ঞানিক নাম: Falco chicquera। এরা ‘লালমাথা শিকারি বাজ’ নামেও পরিচিত। ঊষা এবং গোধূলীলগ্ন এদের শিকারের উপযুক্ত সময়। এ সময় এদের বেশির ভাগকেই জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। তবে একাকী, জোড়ায় কিংবা ছোটদলেও বিচরণ করে। মূলত ছোট পাখি এদের প্রধান …

Read More »

সাদাটুপি লালগির্দি

ছবি: ইন্টারনেট। দোয়েল আকৃতির পাখি। দেখতে ভারি সুন্দর। প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিমায়িত বনাঞ্চল। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, লাওস, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও তিব্বত পর্যন্ত। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। নিজস্ব বাসভূমে প্রজনন ঘটায়। গানের গলা ভালো। ফুর্তিবাজ পাখি। লেজ উঁচিয়ে ফুর্তি করে। জলস্রোতের কাছাকাছি এবং পাথুরে এলাকায় …

Read More »

খয়েরি ঈগল

ছবি: ইন্টারনেট। প্রজাতির বাংলা নাম:‘খয়েরি ঈগল’। ইংরেজি নাম: ‘টাওনি ঈগল’ (Tawny Eagle)। বৈজ্ঞানিক নাম: Aquila rapax। এরা ‘তামাটে ঈগল’ নামেও পরিচিত। এ ঈগল দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। ব্যাপক অঞ্চল জুড়ে এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি এবং তিন উপ-প্রজাতি নজরে পড়ে। সে ক্ষেত্রে উপ-প্রজাতিরা ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলেও বিচরণ করে। যেমন প্রজাতির কিছুসংখ্যক দেখা …

Read More »

বনেলি ঈগল

ছবি: ইন্টারনেট। ঈগলের বাংলা নাম: ‘বনেলি ঈগল’। ইংরেজি নাম: ‘বনেলিস ঈগল, (Bonelli’s Eagle)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Hieraaetus fasciatus। প্রাকৃতিক আবাসস্থল পাহাড়ি অঞ্চলের শুষ্ক খোলামেলা জায়গা। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ চীন, ইরান, ওমান ও তুর্কমেনিস্তান। এ ছাড়াও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে দেখা মেলে। দেশে ভরা শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। যত্রতত্র দেখা যাওয়ার …

Read More »

ধূসরাভবুক লেজকাটা টুনি

ছবি: ইন্টারনেট। পুচ্ছবিহীন পাখি। দূর থেকে দেখে মনে হতে পারে লেজের অগ্রভাগ খসে পড়েছে। আসলে ওদের লেজের গড়নটাই অমন। শরীরের তুলনায় মাথা খানিকটা বড়। সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে এলাকায় বেশি নজরে পড়ে। বেশির ভাগই একাকি বিচরণ করে। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় দেখা যায়। অত্যন্ত অস্তিরমতি পাখি। কোথাও একদণ্ড বসে থাকার ফুরসত নেই। সারা …

Read More »

নীলচে লালগির্দি

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘নীলচে লালগির্দি’। ইংরেজি নাম: ‘প্লামবিয়াস ওয়াটার রেডস্টার্ট’ (Plumbeous Water Redstart)। বৈজ্ঞানিক নাম: Rhyacornis fuliginosa। এরা ‘নীল পানগির্দি’ নামেও পরিচিত। এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ ছাড়া ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও চীন পর্যন্ত। হিমালয়ের দুই হাজার মিটার উচ্চতায়ও এদের দেখা যাওয়ার নজির রয়েছে। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। …

Read More »

ঝুটিয়াল গোদাশিকরে

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘ঝুটিয়াল গোদাশিকরে’। ইংরেজি নাম: ‘ক্রিস্টেড গৌশক (Crested Goshawk)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Accipiter trivirgatus। এরা ‘বাজপাখি’ নামেও পরিচিত। এশিয়া অঞ্চলের শিকারি পাখি এটি। বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, চীন, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত এদের বিস্তৃৃতি। এ ছাড়াও হিমালয় অঞ্চলের বনভূমিতে এদের বিচরণ রয়েছে। স্বভাবে হিংস । শিকারে বের …

Read More »

দেশি চাঁদিঠোঁট

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম: ‘দেশি চাঁদিঠোঁট’। ইংরেজি নাম: ‘ইন্ডিয়ান সিলভারবিল (Indian Silverbill)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Lonchura malabarica। এরা ‘ছোট মুনিয়া’ নামেও পরিচিত। এ পাখির বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইরান, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও ইসরায়েল পর্যন্ত। তবে উপমহাদেশীয় অঞ্চলে রয়েছে ব্যাপক বিস্তৃতি। এরা ছোট-বড় দলে …

Read More »

লালগলা দামা

ছবি: ইন্টারনেট। ভূচর পাখি লালগলা দামা। শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। বাংলা নাম: ‘লালগলা দামা’। ইংরেজি নাম: ‘রেড থ্রোটেড থ্রাস (Red-throated Thrush)’। বৈজ্ঞানিক নাম: Turdus ruficollis। এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, হিমালয় অঞ্চল, উত্তর পাকিস্তান, বার্মা, চীন, তিব্বত, আফগানিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, মঙ্গোলিয়া, ইরান, ইরাক পর্যন্ত। দেখতে কিছুটা কাঠশালিকের মতো। লাফিয়ে হাঁটে। সতর্ক …

Read More »

হলদেতলা ফুলঝুরি

ছবি: ইন্টারনেট। এ পাখির বাংলা নাম: ‘হলদেতলা ফুলঝুরি’। ইংরেজি নাম: ‘ইয়েলো-ভ্যানটেড ফ্লাওয়ারপেকার’ (Yellow-vented Flowerpecker)। বৈজ্ঞানিক নাম: Dicaeum chrysorrheum। এরা ‘হলুদ-অবসারণী ফুলঝুরি’ নামেও পরিচিত। এরা আবাসিক পাখি। স্বভাবে চঞ্চল। এই আছে এই নেই, চোখের পলকেই হারিয়ে যায়। বেশির ভাগ একাকী বিচরণ করলেও প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় দেখা যায়। পুরুষ পাখি মিষ্টি সুরে …

Read More »

লম্বা পা বাজপাখি

ছবি: ইন্টারনেট। পরিযায়ী পাখি। বাংলা নাম: ‘লম্বা পা বাজপাখি’। ইংরেজি নাম:, ‘লং-লেগেড বুজার্ড (Long-legged Buzzard)। ’ বৈজ্ঞানিক নাম: Buteo rufinus| এরা ‘লম্বা-পা তিসাবাজ’ নামেও পরিচিত। এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, উত্তর ভারত, উত্তর মঙ্গোলিয়া, ইরান, তুরস্ক, দক্ষিণ রাশিয়া, বুলগেরিয়া, গ্রিস, নাইজেরিয়া, সেনেগাল ও মৌরিতানিয়া পর্যন্ত। এ ছাড়াও মিসর এবং চীন সীমান্ত …

Read More »

লালচাঁদি ফুটকি

ছবি: ইন্টারনেট। ‘লালচাঁদি ফুটকি’ পাখির প্রকৃত বাংলা নাম:, ‘পাটকিলে-মাথা পাতা ফুটকি’। ইংরেজি নাম:, ‘চেস্টনাট-ক্রাউন্ড ওয়ার্বলার’(Chestnut-crowned warbler) । আর বৈজ্ঞানিক নাম: ‘Seicercus castaniceps’। এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল গ্রীষ্ম মণ্ডলীয় আর্দ্র নিম্নভূমির বন এবং আর্দ্র পার্বত্য অরণ্য। দেখা যায় রেডোডেনড্রন এবং ওক বনেও। স্বভাবে এরা পরিযায়ী। দেশে যত্রতত্র দেখা যায় না। চেহারা চড়ুই …

Read More »

সাদামুকুট চেরালেজি

ছবি: ইন্টারনেট। লেজটা বাদ দিলে অনেকটাই দোয়েল পাখির মতো দেখতে। জ্ঞাতি ভাই কালোপিঠ চেরালেজি পাখিও দেখতে হুবহু একই রকম। পার্থক্য নিরূপণ করা সর্ব সাধারণের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রাকৃতিক আবাসস্থল আর্দ্র ক্রান্তীয় বনাঞ্চল। এ ছাড়াও জলস্রোত বয় এমন স্থানে বেশি পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় বিচরণ আধিক্য। বিচরণ করে একাকী। …

Read More »

কমলাপাশ বনরবিন

ছবি: ইন্টারনেট। কীটভুক পাখি। পোকামাকড় শিকারের লোভে সারাদিন বনতলে ঘুরে বেড়ায়। প্রাকৃতিক আবাসস্থল সরলবর্গীয় লতাগুল্মের ঝোঁপঝাড়। পুরুষ পাখির চেহারা বেশ আকর্ষণীয়। স্ত্রী পাখির চেহারা অনেকটাই ম্লান। দেশের স্থায়ী বাসিন্দা নয়, কেবল শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে। সাধারণত একাকী বিচরণ করে। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। স্বভাবে শান্ত। চমৎকার সুরে গান …

Read More »

বেগুনিকোমর মৌটুসি

ছবি: ইন্টারনেট। আবাসিক পাখি। গ্রামেগঞ্জে নজরে পড়ে। পুরুষ পাখির নজরকাড়া রূপ। স্ত্রী পাখি তেমন একটা সুশ্রী নয়, দেখতে ভিন্ন প্রজাতির মনে হতে পারে। কণ্ঠস্বর সুমধুর। স্বভাবে চঞ্চল। অন্যসব মৌটুসির মতো এদের ভিতরও স্থিরতা নেই। বেশির ভাগই একাকী বিচরণ করলেও প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। প্রাকৃতিক আবাসস্থল নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের বন …

Read More »

হলুদবুক বাঘেরি

ছবি: ইন্টারনেট। বাংলা নাম: ‘হলুদবুক বাঘেরি’। ইংরেজি নাম: ‘ইয়েলো-ব্রেস্টেড বান্টিং’ (Yellow-breasted Bunting)। বৈজ্ঞানিক নাম: Emberiza aureola। এরা ‘হলদেবুক চটক’ নামেও পরিচিত। পরিযায়ী পাখি। দেশে আগমন ঘটে শীতে। দেখতে অনেকটাই চড়ুই পাখির মতো, আকার-আকৃতিও তদ্রূপ। প্রাকৃতিক আবাসস্থল জঙ্গলময় পর্ণমোচী বনাঞ্চল। জলাশয় এলাকার আশপাশের নলখাগড়া কিংবা ঝোপজঙ্গলে বিচরণ করে। শস্য খেতে ঝাঁকে …

Read More »

সিঁদুরে-হলুদ মৌটুসি

ছবি: ইন্টারনেট। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারায় বিস্তর ফারাক। পুরুষ পাখির নজরকাড়া রূপ। প্রথম দর্শনেই যে কেউ মুগ্ধ হবেন। স্ত্রী পাখি সে তুলনায় একেবারেই নিষ্প্রভ। গায়ের রঙের ব্যবধানে মনে হতে পারে দুটি ভিন্ন প্রজাতির পাখি। কণ্ঠস্বর সুমধুর। ফুর্তিবাজ পাখি। সাংঘাতিক চঞ্চল। স্থিরতা নেই বললেই চলে। বেশিরভাগই একাকী বিচরণ করে। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় …

Read More »

ছোট পাপিয়া

ছবি: ইন্টারনেট। মূলত চলার পথের পরিযায়ী (পান্থ পরিযায়ী) পাখি ছোট পাপিয়া। কোকিলের জ্ঞাতি ভাই। স্লিম গড়ন। দেখতে কোকিলের মতো হলেও আকারে ছোট। গায়ের রং ভিন্ন। কোকিলের মতো কণ্ঠস্বর সুমধুর নয়, কর্কশ। স্বভাবে লাজুক। আড়ালে-আবডালে থাকতে পছন্দ করে। গাছের উঁচু ডালে চুপচাপ বসে থাকে। একাকি ঘুরে বেড়ায়। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় বিচরণ …

Read More »

লম্বালেজি সিবিয়া

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম, ‘লম্বালেজি সিবিয়া’। ইংরেজি নাম, ‘লং-টেইলড সিবিয়া (Long-tailed Sibia)। বৈজ্ঞানিক নাম, Heterophasia picaoides| এরা ‘ল্যাঞ্জা সিবিয়া’ নামেও পরিচিত। এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সুঁচালো চিরহরিৎ বন। ওক ও পাইন বনে কিছুটা বেশি বিচরণ রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া বৈশ্বিক বিস্তৃতি উত্তর-পূর্ব ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, চীন, লাওস, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া …

Read More »

নীলাভ কীটকুড়ানি

ছবি: ইন্টারনেট। পাখির বাংলা নাম, ‘নীলাভ কীটকুড়ানি’। ইংরেজি নাম, Velvet-fronted Nuthatch। বৈজ্ঞানিক নাম, Sitta frontalis। এরা ‘কালাকপাল বনমালী’ নামেও পরিচিত। এ পাখির রয়েছে মনহরণকারী রূপ। গাট্টাগোট্টা চেহারা। প্রথম দর্শনেই পাখিপ্রেমীদের নজর কাড়তে সক্ষম। এরা আমাদের দেশীয় প্রজাতির পাখি। বাংলাদেশ ছাড়া বৈশ্বিক বিস্তৃতি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব চীন ও ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত। …

Read More »

পাতি ডাহর

ছবি: ইন্টারনেট। বাংলা নাম:, ‘পাতি ডাহর’। ইংরেজি নাম:, ‘লেজার ফ্লোরিকান’(Lesser florican)। বৈজ্ঞানিক নাম:, Sypheotides indica। এরা ‘ছোট ডাহর’ নামেও পরিচিত। এটি বিলুপ্ত প্রজাতির আবাসিক পাখি। দেশে এদের শত বছর আগে দেখা গেছে। হালে দেখা যাওয়ার রেকর্ড নেই। এক সময় উত্তরবঙ্গের তৃণভূমিতে দেখা যেত। এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ ছাড়া ভারত, নেপাল, …

Read More »

বড় লালমাথা তোতা ঠোঁটি

ছবি: ইন্টারনেট। বাংলা নাম ‘বড় লালমাথা তোতা ঠোঁটি’। ইংরেজি নাম ‘গ্রেটার রুফাস হেডেড প্যারটবিল (Greater Rufous-headed Parrotbill)’। বৈজ্ঞানিক নাম Paradoxornis ruficeps। এরা ‘বড় লালমাথা’ নামেও পরিচিত। স্লিম গড়ন। ঠোঁট শক্ত, মজবুত ধারালো। অনেকটাই তোতা প্রজাতি পাখিদের মতো। প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রান্তীয় আর্দ্র নিম্নভূমির বন এবং পার্বত্য অরণ্য। এ ছাড়াও সুচালো চিরহরিৎ …

Read More »

কালো দোচরা

ছবি: ইন্টারনেট কৃষকের বন্ধু হিসেবে পরিচিত পাখি ‘কালো দোচরা’। ভারিক্কি চালে পা ফেলে খেত খামার চষে বেড়ায়। ক্ষতিকর পোকামাকড়, ইঁদুর ইত্যাদি খেয়ে কৃষকের উপকার করে। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। আকারে বেশ বড়োসড়ো। দেখতেও চমৎকার। স্বভাবে শান্ত। কণ্ঠস্বর কর্কশ। এ পাখির বাংলা নাম: ‘কালো দোচরা’। ইংরেজি নাম: ‘ইন্ডিয়ান ব্লাক ইবিস (Indian …

Read More »

কালাঘাড় বেনেবউ | Black naped Oriole | Oriolus chinensis

ছবি: ইন্টারনেট পাখির বাংলা নাম: ‘কালাঘাড় বেনেবউ’| ইংরেজি নাম: ‘ব্লাক ন্যাপেড ওরিয়োল’ (Black-naped Oriole)| বৈজ্ঞানিক নাম: Oriolus chinensis| বৈশ্বিক বিস্তৃৃৃতি মিয়ানমার, উত্তর-পূর্ব চীন, উত্তর ভিয়েতনাম, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ড। শীতে পরিযায়ী হয়ে আসে বাংলাদেশ-ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে। প্রাকৃতিক আবাসস্থল মিশ্র পর্ণমোচী এবং চিরহরিত্বর্ণ। বেশির ভাগই জোড়ায় জোড়ায় দেখা …

Read More »